মেয়েরা জিন্সের প্যান্ট পরলে সন্তান হিজড়া হতে পারে
![]() |
| জিন্সের প্যান্ট |
পৃথিবীর শুরু লগ্ন থেকে এই পর্যন্ত সব কিছুরই পরিবর্তন ঘটেছে।তেমনই খাওয়া দাওয়া,চলা পিরা,পোশাকেও পরিবর্তন এসেছে।বিশেষ করে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে পোশাকের বেশ পরিবর্তন ঘটেছে।আদি যোগে পাতা লতা মানুষের পোশাক থাকলেও নুহ(আঃ)এর যুগে মানুষ চামড়া দিয়ে পোশাক তৈরি করতো।তারপর এরিস্টটলের যুগে পৃথিবীর পরিবর্তনের সাথে সাথে পোশাকেরও পরিবর্তন ঘটে,মানুষ আরো সভ্য হয়ে সুতার পোশাক ধরেছে।আজ শেখ মজিবের স্বপ্নের বাংলা,শেখ হাসিনার ডিজিটাল দেশে মানুষ জিন্সের প্যান্ট পরতে আগ্রহী।
কিন্তু এই জিন্সের প্যান্টেই মানুষের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এক অধ্যাপক। এ জন্য তাকে নানা সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে । তবে তাতে তিনি দমে যাননি।
গণমাধ্যম সূত্রে জানায়, অধ্যাপক রজিত কুমার স্যার বলেছেন বলেছেন ‘মেয়েরা জিন্স পরলে ‘হিজড়া’ সন্তান প্রসব করতে পারেন। শুধু জিন্সই নয়, যে কোনো পুরুষ পোশাক ব্যবহারেই এমন বিপদ ডেকে আনতে পারে।
বোটানির এ অধ্যাপক সচেতনতামূলক ক্লাস নিতে গিয়ে এমন অদ্ভুত দাবি করে বসলেন। ভারতের কেরালার কাসারাগড়ের অধ্যাপক রজিত শিক্ষার্থীদের কাছে এমনটাই দাবি করেছেন।অধ্যাপক আরো বলেছেন, ‘যে সব নারীরা জিন্স, শার্ট ইত্যাদি পুরুষের পোশাক পরেন তারা হিজড়া সন্তান প্রসব করেন,বেশীরভাগই।
তিনি আরো দাবি করেন, কেরালায় তিন লাখেরও বেশি হিজড়া রয়েছে।শুধু তা-ই নয়, লাইফ স্টাইল তার বিষয় না হলেও তিনি অনেক অনেক বিস্ময়কর দাবি করেছেন।
তবে সে সব দাবি কতটা বৈজ্ঞানিক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।তিনি সচেতনতা তৈরি করতে গিয়ে বলেছেন, ‘যে সব দম্পতির জীবনযাপন নারী, পুরুষ বিভাজন মেনে; তাদের দ্বারাই ভালো সন্তানের জন্ম নেওয়ার আশা করা যায়।
স্যারের দাবি অনুযায়ী, চরিত্রহীন বাবা-মায়ের সন্তান অটিস্টিক বা সেরিব্রাল পালসির মতো অসুখে ভুগে থাকে।ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, তার এ ধরনের সচেতনতামূলক বক্তব্যে মেয়েদের সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে।
তবে তিনি দমে যাননি।এখনও তিনি তার ‘সচেতনতা সভা’ চালিয়েই যাচ্ছেন। জিন্স প্রসঙ্গে এমন ‘হিজড়াতত্ত্ব’ কেবল তিনিই আবিষ্কার করেছেন।তিনি বিশ্বাস করেন তথ্য'টি সত্য।
আপনার ম,বোন,স্ত্রীকে রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার,জনসাধারণের উপকার্থে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন